RemitDiary
← সব পোস্ট
গল্পremitdiary

কেন RemitDiary বানালাম

২২ মে, ২০২৬·2 মিনিট পড়া
This post is also available in English.Read in English →

আমি সামিথ, ঢাকার একজন অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার।

RemitDiary বানিয়েছি একটা কারণে।

যা দেখতাম

দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে লাখো মানুষ প্রতি বছর বিদেশে যায়। বাংলাদেশ, ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা থেকে সৌদি, আমিরাত, মালয়েশিয়ায়। পরিবারের জন্য ভালো কিছু করতে। বছরের পর বছর কাজ করে, নিয়মিত টাকা পাঠায়।

তারপর ফিরে আসে।

কেউ কেউ ভালোভাবে ফেরে। জমি কিনেছে, ঘর উঠেছে, বাচ্চারা ভালো স্কুলে পড়ছে।

কিন্তু অনেকেই ফেরে প্রায় খালি হাতে। টাকা কামায়নি না, পাঠায়নি না সেটা না। বছরের পর বছর পাঠিয়েছে। কিন্তু কোনো হিসাব নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই। টাকা গেছে, সময় গেছে, কিন্তু কোথায় কতটা গেছে কেউ জোড়া দিয়ে দেখেনি।

এটা আমার নিজের চোখে দেখা। এবং শুধু বাংলাদেশে না, ভারত, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা - যেখানেই পরিবার রেমিট্যান্সের উপর নির্ভর করে সেখানেই একই গল্প।

কী ছিল না

সব কিছুর জন্য অ্যাপ আছে। কিন্তু সব অ্যাপ তৈরি হয়েছে এক দেশে, এক ব্যাংকে থাকা মানুষের জন্য।

রিয়াধে কাজ করা কারো জন্য না, যে SAR থেকে BDT ট্রান্সফার ট্র্যাক করতে চায়। মালয়েশিয়ায় থাকা কারো জন্য না, যাকে ওয়ার্ক পারমিট শেষ হওয়ার আগে মনে করিয়ে দেওয়া দরকার।

এরকম কিছু ছিল না। তাই বানালাম।

স্যাক্রিফাইস রিপোর্টের কথা

আর্থিক হিসাব রাখাটা দরকার। কিন্তু এর বাইরে একটা জিনিস চেয়েছিলাম।

কর্মীরা যেন পরিবারকে দেখাতে পারে আসলে কতটা দিয়েছে। শুধু "এই মাসে পাঠালাম" না। বরং - দেখো চার বছরে এতটা পাঠিয়েছি, এখানে গেছে, বাড়ির লক্ষ্যটা এতটুকু হয়েছে।

প্রথমবার কেউ পরিবারের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাল, মা ফোন করে কাঁদল। তখন বুঝলাম ঠিক জিনিস হয়েছে।

কিছু কথা

RemitDiary ফ্রি। কোনো চার্জ নেই।

আপনার ডেটা প্রাইভেট। কাউকে বেচা হয় না।

একা বানিয়েছি। কোনো সমস্যা হলে বা মতামত থাকলে hello@remitdiary.com এ লিখুন। আমি পড়ি।

কেউ বিদেশে আছে আর এই অ্যাপ কাজে লাগবে মনে হয়, তাদের বলুন।


Google Play তে RemitDiary ডাউনলোড করুন।

সামিথ